সম্পর্কে যা এড়ান উচিত

সম্পর্কে যা এড়ান উচিত

নগরজীবন
একটা সুন্দর সম্পর্ক বজায় রাখতে এমন কোনো আচরণ করা উচিত নয় যা পরে ক্ষতির কারণ হয়।

আপনার সম্পর্ক নিয়ে আপনি খুশি কি-না, অথবা শেষ পর্যন্ত নিজের সম্পর্ক কোথায় নিয়ে যেতে চান তা সম্পূর্ণ আপনার ব্যাপার। তবে বর্তমান সম্পর্ক ঠিক রাখতে কিছু বিষয় এড়িয়ে চলাই ভালো।

সম্পর্ক-বিষয়ক একটি ওয়েবসাইট অবলম্বনে সুষ্ঠু সম্পর্ক রক্ষার্থে করণীয় কিছু আচরণ সম্পর্কে জানান হল।

‘শান্ত থাকুন, তর্ক কোনো সমাধান দেয় না’

অনেকেই সম্পর্ক বাঁচাতে চুপ থাকাকে সমাধান বলে মনে করেন। এটা ঠিক নয়। ভুল বোঝাবুঝি হলে বা অকারণে আপনাকে দায়ি করা হলে তা নিয়ে খোলাখুলিভাবে কথা বলা উচিত। কেবল সম্পর্কে বাঁচাতে মুখ বন্ধ করে রাখা কোনো সঠিক সিদ্ধান্ত নয়। তবে তর্ক করে নয়, নিজের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরুন শান্ত ভাবে। যতই হোক সম্পর্কে বিষয়টা কেবল আপনার না এটা দুজনেরই।

‘আপনি তাকে পরিবর্তন করবেন’

প্রতিটা মানুষই একে অপরের থেকে আলাদা এবং এই পার্থক্যকে ইতিবাচকভাবেই গ্রহণ করা উচিত। সঙ্গীকে পরিবর্তন করতে চাওয়া যে কোনো সম্পর্কের জন্যই ক্ষতিকারক। প্রত্যেককেই নিজের মতো থাকতে দেওয়া সম্পর্কের জন্য ইতিবাচক ফল বয়ে আনে।

‘নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখা’

সম্পর্ক মানে তাতে ভারসাম্য বজায় থাকা। কখনও আপনি জয়ী হবেন কখনও বা হেরে যাবেন। কিন্তু এটা না মেনে সব কিছুই যদি নিজের নিয়ন্ত্রণে নিতে চান তাহলে তা ভুল বোঝাবুঝি বা সম্পর্কে হতাশার সৃষ্টি করে। সম্পর্কে ক্ষমতার নিরবিচ্ছিন্ন নিয়ন্ত্রণ নানা রকম সমস্যার সৃষ্টি করে এবং অনেক সময় তা বিচ্ছেদেরও কারণ হতে পারে। তাই এমনটা না করাই ভালো।  

‘তার মোবাইল চেক করা যেতেই পারে’

যতই খারাপ সময় আসুক, সঙ্গীর প্রতি সন্দেহ জাগুক বা তার প্রতি মন ক্ষুণ্ন হন না কেন আপনি কখনই তার মোবাইল ‘নীরিক্ষা’ করতে পারেন না। এটা একটা ‘ব্যাড ম্যানার’ বা খারাপ আচরণ যা আপনার সুশিক্ষার পরিপন্থী। তাই এমন কাজ থেকে বিরত থাকুন।